এনআইডি যাচাইসহ বিডার ওএসএসে যুক্ত হচ্ছে ৩ সেবাস্বয়ংক্রিয় চালানের পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু এ মাসেইভেস্তে যেতে চলেছে অনলাইনে রিটার্ন জমাএকক ব্যক্তি কোম্পানি খোলার সুযোগ রেখে আইন অনুমোদনরাজস্ব ঘাটতি ৮২ হাজার কোটি টাকা: এনবিআরের চূড়ান্ত হিসাব
No icon

রাজস্ব ঘাটতি ৮২ হাজার কোটি টাকা: এনবিআরের চূড়ান্ত হিসাব

সদ্যবিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড পরিমাণ ঘাটতি হয়েছে। যার পরিমাণ ৮২ হাজার ৯৪ কোটি টাকা। এই ঘাটতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যের হিসাবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চূড়ান্ত হিসাবে ঘাটতির এ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে। মূলত করোনা সংকটের কারণে এনবিআরকে এবার বিশাল রাজস্ব ঘাটতিতে পড়তে হলো। সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে এনবিআর শেষপর্যন্ত আদায় করতে পেরেছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এনবিআর ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা আদায় করেছিল। সেই হিসাবে গতবারের চেয়ে সার্বিকভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। ১৫ জুলাই পর্যন্ত আগের মাসের ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় ছিল। রিটার্ন বাবদ যত ভ্যাট পেয়েছে, তা যোগ করে রাজস্ব আদায়ের হিসাবটি চূড়ান্ত করেছে এনবিআর। গত অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্য ছিল ৩ লাখ ৫০০ কোটি টাকা।

করোনার কারণে ২৬ মার্চ থেকে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। জরুরি কিছু সেবা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া এ সময় সবকিছুই বন্ধ ছিল। এ কারণে গত এপ্রিল ও মে মাসে রাজস্ব আদায় হয়নি বললেই চলে। জুন মাসে এসে সীমিত পরিসরে সবকিছু খুলতে শুরু করলে রাজস্ব আদায়ও কিছুটা বাড়ে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব এসেছে ভ্যাট বাবদ। এ খাত থেকে ৮৪ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা আদায় হয়েছে। এই খাতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে লক্ষ্যের তুলনায় ঘাটতি হয়েছে ২৩ হাজর ৭৫০ কোটি টাকা। আয়কর বাবদ আদায় হয়েছে ৭৩ হাজার ৪ কোটি টাকা। এই খাতে লক্ষ্য ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা। তাতে বছর শেষে আয়কর খাতে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা।

এ ছাড়া আমদানি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, আবগারি শুল্কসহ অন্যান্য শুল্ক খাতে এনবিআর গত অর্থবছরে আদায় করেছে ৬০ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। এসব খাতে লক্ষ্য ছিল ৮৫ হাজার ২২১ কোটি টাকা। কিন্তু বছর শেষে এ খাতে ঘাটতি হয়েছে ২৪ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরের শুরুতে এনবিআরকে মোট ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত হারে আদায় না হওয়ায় পর তা ২৫ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়।