বাণিজ্য মেলায় সেরা ভ্যাট দাতার সম্মাননা পেয়েছে ১০ প্রতিষ্ঠানবন্দরে পণ্য আসার ৩ দিনের মধ্যে কাগজপত্র জমা না দিলে জরিমানাঢাকা ট্যাকসেস্ বার এসোসিয়েশন ২০২০-২০২১ এ ইকবাল সভাপতি ও মামুন সম্পাদক নির্বাচিতপুঁজিবাজারে আসছে রবি, শেয়ার ছাড়বে ৫২ কোটিকর বাড়ার পর মুঠোফোনের অবৈধ আমদানি বাড়ছে: বিএমপিআইএ
No icon

গ্রামীণফোনের রাজস্ব আয় ১৪ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা

২০১৯ সালে ১৪ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে গ্রামীণফোন, যা আগের বছরের তুলনায় ৮.১ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে ইন্টারনেট সেবা খাত থেকে আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ। একই সময়ে ভয়েস থেকে আয় বেড়েছে ৮.৫ শতাংশ। ২০১৯ সালের শেষ প্রান্তিকে মোট রাজস্ব দাড়িয়েছে ৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, যা আগের বছর একই সময়ের তুলনায় ৪.২ শতাংশ বেশি। চতুর্থ প্রান্তিকে ৭ লাখ নতুন গ্রাহক গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছে। ২০১৯ সাল শেষে আগের বছরের তুলনায় ৫.১% প্রবৃদ্ধি নিয়ে মোট গ্রাহক দাড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৫ লাখ। মোট গ্রাহকের মধ্যে ৪ কোটি ৬ লাখ বা ৫৩.১ শতাংশ গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহারকারী। গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি বলেন, রেগুলেটরি দৃষ্টিকোণ থেকে ২০১৯ সাল গ্রামীণফোন একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে পার করেছে। নানা ধরনের বিধিনিষেধ আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যহত করেছে। তবে চমৎকারভাবে বাজার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং নেটওয়ার্কে আমাদের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখার মাধ্যমে আমরা ব্যবসায়িক সাফল্য অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছি। পরিকল্পিত লক্ষ্য অনুযায়ী চতুর্থ প্রান্তিকে ৪জি সাইটের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১০ হাজার। বছর শেষে আমাদের নেটওয়ার্কে ৪জি গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ১৯ লাখে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইন্টারনেট সেবা খাতে এর ব্যবহার ও রাজস্ব অর্জন দুটি ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি।

২৫.৪ শতাংশ মার্জিনসহ ২০১৯ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের মোট মুনাফার পরিমাণ দাড়িয়েছে ৯২০ কোটি টাকা। শেষ প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬.৮১ টাকা।

গ্রামীণফোনের সিএফও ইয়েন্স বেকার বলেন, শক্তিশালী মার্জিন নিয়ে গ্রামীণফোন ২০১৯ সালে ব্যবসায়িক সাফল্য অজর্ন করেছে। তিনি বলেন, চতুর্থ প্রান্তিকে আমরা তীব্র প্রতিযোগিতা ও বৈরি আবহাওয়া সত্বেও ইন্টারনেট সেবা খাতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জনে সফল হয়েছি। আমাদের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের জন্য আরো বেশি মানসম্মত সুযোগ সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে শক্তিশালী নেটওর্য়াক নির্মাণ ও বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমাদের বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে। আমরা আনন্দের সাথে জানাতে চাই শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আমাদের পরিচালনা পর্ষদ প্রতি শেয়ারে ১৩ টাকা লভ্যাংশের প্রস্তাব করেছেন।

২৭ জানুয়ারি ২০২০ সালে পরিচালনা পর্ষদের সভায় গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৯ সালের জন্য প্রতি শেয়ারে ১৩ টাকা লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছেন। এর মাধ্যমে মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাড়ালো ১৩০ শতাংশ, যা কর পরবর্তী লভ্যাংশের ৫০.৮৬ শতাংশ (৩৫ শতাংশ অর্ন্তবতী লভ্যাংশসহ)।

চতুর্থ প্রান্তিকে নেটওয়ার্ক উন্নয়নে গ্রামীণফোন ৩৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এনওসি বন্ধের কারণে গ্রামীণফোনকে পরিকল্পিত বিনিয়োগের চেয়ে কম বিনিয়োগ করতে হয়েছে। শেষ প্রান্তিকে নেটওর্য়াক আধুনিকায়নের পাশাপাশি ৭১৫টি নতুন ৪জি সাইট করা হয়েছে। ২০১৯ শেষে গ্রামীণফোনের মোট নেটওয়ার্ক সাইটের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫০৮। গ্রামীণফোন ২০১৯ সালে কর, ভ্যাট, ৪জি লাইসেন্স ফি, স্পেকটার্ম অ্যাসাইনমেন্ট ফি, ডিউটি ও ফিস বাবদ সরকারি কোষাগারে ৮ হাজার ৫১০ কোটি টাকা প্রদান করেছে যা মোট আয়ের ৫৯.২ শতাংশ।