বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বহুমাত্রিক চাপের মধ্যে রয়েছে। একদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে ডলার সংকট ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ কমে এসেছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহেও
দেশের অর্থনীতিতে রাজস্ব আদায়ের সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আদায়ে প্রায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি হয়েছে। এই ঘাটতির পরিমাণ গত পুরো অর্থবছরের রেকর্ড ঘাটতিকেও ছাড়িয়ে
বাংলাদেশ থেকে পাট আমদানি বাড়াতে চায় পাকিস্তান। আজ সোমবার বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) সভা শেষে পাকিস্তানের পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
পাকিস্তানের পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক বলেন, দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ এক
পুঁজিবাজারের বিতর্কিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালিত ছয়টি মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগকৃত অর্থ সুদসহ ৩০ দিনের মধ্যে ফেরত আনার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
এই সময়ের
দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হয়েছে টেক্সটাইল খাতে। যার পরিমাণ ২৩ বিলিয়ন ডলার বা ২ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। নানা সমস্যায় টেক্সটাইল খাতের উদ্যোক্তারা এখন ছাড়মূল্যে শিল্পকারখানা বিক্রি করতে চান। শুধু তাই
ভারত ও পাকিস্তান—দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশ দুটি, যাদের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রায়ই উত্তপ্ত থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সম্পর্কের উপর বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটছে, যা বাংলাদেশের বাণিজ্যেও প্রভাব ফেলেছে। ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে
খাদ্যের মজুদ বাড়াতে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে। আমন সংগ্রহসহ বিভিন্নভাবে খাদ্যের মজুদ ২০ লাখ টনে উন্নীত করতে চায় সরকার। প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গেও চাল আমদানির ব্যাপারে আলোচনা করা হবে। মূলত সংখ্যালঘু ইস্যুতে
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা পেতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশিরউদ্দীন। রবিবার বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান তিনি। বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, শ্রম আইন যুগোপযোগী করা, সব







