নতুন রপ্তানি নীতির খসড়া অনুমোদনপ্রণোদনার অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দুই কোটি টাকা খরচ করে ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু : এনবিআরচলতি অর্থবছরে কালোটাকা সাদা করায় তেমন সাড়া মিলছে না ৬৩% টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেননি এ
No icon

১০ করদাতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কর কার্ড ও সম্মাননা দেওয়া হবে

সেরা করদাতারা জাতীয়, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন। ২৪ নভেম্বর শীর্ষ ১০ করদাতা কর কার্ড পাবেন। বাকিদের নিজ নিজ কর অঞ্চল পুরস্কৃত করবে। কর কার্ড হবে এক বছরের। মেয়াদ শেষ হলেই তা এনবিআরে জমা দিতে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবারও সেরা করদাতা হিসেবে ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ট্যাক্স কার্ড বা কর কার্ড দেবে বাকি সেরা করদাতাদের নিজ নিজ কর অঞ্চলে পুরস্কৃত করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৭৫ ব্যক্তি, ৫৪ প্রতিষ্ঠান ও ১২টি অন্যান্য। গতকাল বুধবার বিভিন্ন ক্যাটাগরি বা শ্রেণিতে বছরের সেরা করদাতাদের তালিকা প্রকাশ করেছে এনবিআর।

কর কার্ডধারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ও অগ্রাধিকার পাবেন। যেমন বিমানবন্দরে সিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার; তারকা হোটেলসহ সব আবাসিক হোটেলে বুকিং; নিজে, স্ত্রী বা স্বামীর ও নির্ভরশীল সন্তানের জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন; আকাশ-রেল-নৌপথে সরকারি যানবাহনের টিকিট এবং জাতীয়, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ। এই কর কার্ড হবে এক বছরের। মেয়াদ শেষ হলেই তা এনবিআরে জমা দিতে হবে।
 

আইনজীবী: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, কাজী মোহাম্মদ তানজিবুল আলম, আহসানুল করিম, নিহাদ কবির ও তৌসিকা আফতাব।

প্রকৌশলী: ঢাকার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মোখলেছুর রহমান ও রাজশাহীর জহুরুল ইসলাম।

স্থপতি: ঢাকার মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, রফিক আজম ও এনামুল করিম নির্ঝর।

হিসাবরক্ষক (অ্যাকাউনটেন্ট): মোহাম্মদ ফারুক, মাশুক আহমেদ ও মুশতাক আহমেদ।

নতুন করদাতা: ঢাকার মোসাম্মদ শাহিন আক্তার, মীযানুল করীম, রোকশানা পারভীন, বাধন বণিক ও রিয়াদ উর রহমান; কুমিল্লার মো. সালাহ উদ্দীন; চট্টগ্রামের রাশেদা আকতার চৌধুরী।

খেলোয়াড়: ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ, তামিম ইকবাল খান ও সৌম্য সরকার।

অভিনেতা-অভিনেত্রী: সুবর্ণা মুস্তাফা, বিদ্যা সিনহা সাহা ও বাবুল আহমেদ।

গায়ক-গায়িকা: তাহসান রহমান খান, এস ডি রুবেল ও কুমার বিশ্বজিৎ।

অন্যান্য: মাহমুদুল হক, খন্দকার মনির উদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম।

জ্যেষ্ঠ নাগরিক: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক খাজা তাজমহল, ব্যবসায়ী খন্দকার বদরুল হাসান, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোস্তাফিজুর রহমান ও ট্রান্সকম গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান।

গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা: নাসির উদ্দিন মৃধা, জয়নাল আবেদীন, কোহিনুর ইসলাম খান ও এস এম আবদুল ওয়াহাব।

প্রতিবন্ধী: ঢাকার আকরাম মাহমুদ ও ঢাকার লুবনা নিগার, সিলেটের মো. মামুনুর রশিদ।

নারী: আনোয়ারা হোসেন ও ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমান (কর অঞ্চল-৩); সেলিনা মাহবুব (কর অঞ্চল-৮); ফারহানা মোনেম (কর অঞ্চল-৩) এবং মোরশেদা নাসমিন (কর অঞ্চল-৫)।

তরুণ: আহমেদ ইমতিয়াজ হাসান, এস এম মঞ্জুরুল আলম, ফয়সাল হোসেন, লুৎফর রহমান, আনিকা তারান্নুম আনাম।

ব্যবসায়ী: হাকিমপুরী জর্দার মালিক মো. কাউছ মিয়া, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, ব্যবসায়ী নাফিস সিকদার, ইস্টার্ণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান শওকত আলী চৌধুরী ও ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

বেতনভোগী: এ শ্রেণির পাঁচজনই একই পরিবারের। তাঁরা হলেন ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল পরিবারের মোহাম্মদ ইউসুফ, রুবাইয়াৎ ফারজানা হোসেন, এম এ হায়দার হোসেন, হোসনে আরা হোসেন ও লায়লা হোসেন।


চিকিৎসক: জাহাঙ্গীর কবির, এ কে এম ফজলুল হক, প্রাণ গোপাল দত্ত, এন এ এম মোমেনুজ্জামান ও নার্গিস ফাতেমা।

সাংবাদিক:  মাহ্ফুজ আনাম,  ফরিদুর রেজা, আবদুল মুকিত মজুমদার ও মোহাম্মদ আবদুল মালেক,মতিউর রহমান,।

প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে যারা কর কার্ড পাবে
ব্যাংক: ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি, ব্র্যাক ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।

অ-ব্যাংকিং আর্থিক: ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স (ডিবিএইচ)।

টেলিকমিউনিকেশন: গ্রামীণফোন।

প্রকৌশল: উত্তরা মোটরস, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি এবং উত্তরা অটোমোবাইলস।

খাদ্য ও আনুষঙ্গিক: নেস্‌লে বাংলাদেশ, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও প্রাণ ডেইরি।

জ্বালানি: তিতাস গ্যাস (টিঅ্যান্ডডি) কোম্পানি, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল) এবং পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড।

পাটশিল্প: আকিজ জুট মিলস, আইয়ান জুট মিলস এবং আই আর খান জুট মিলস।

স্পিনিং ও টেক্সটাইল: কোটস বাংলাদেশ, বাদশা টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড, নোমান টেরিটাওয়েল মিলস, নাহিদ কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস, ইসমাইল আঞ্জুমান আরা ফেব্রিকস, প্রিমিয়ার ১৮৮৮ লিমিটেড এবং নাহিদ কটন মিলস।

ওষুধ ও রসায়ন: ইউনিলিভার, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস ও রেনাটা লিমিটেড।

প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়া: মিডিয়াস্টার লিমিটেড, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড, ট্রান্সক্রাফট লিমিটেড ও সময় মিডিয়া।

আবাসন: রেব-আরসি, রিজভি কনস্ট্রাকশন ও বে ডেভেলপমেন্টস।
তৈরি পোশাক: ইউনিভার্সেল জিনস, ইয়াংওয়ান হাইটেক স্পোর্টসওয়্যার, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস, রিফাত গার্মেন্টস, স্কয়ার ফ্যাশন, জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রিজ এবং হা-মীম ডেনিম।

চামড়াশিল্প: বাটা শু, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার ও লালমাই ফুটওয়্যার।

অন্যান্য শ্রেণিতে: ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি, আমেরিকান লাইফ ইনস্যুরেন্স, সাধারণ বীমা করপোরেশন, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি), এস এন করপোরেশন, মেসার্স মো. জামিল ইকবাল, মেসার্স এ এস বি এস, মেসার্স ছালেহ আহম্মদ, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), সেতু কর্তৃপক্ষ, আশা, সেনাকল্যাণ সংস্থা হেড অফিস, ব্যুরো বাংলাদেশ, রফিক কনস্ট্রাকশন, আরএকে পাওয়ার প্রাইভেট, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিস।