চলতি বছরে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশেআগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করতে হবে ঋণদাতাদের আশ্বস্ত করতে জামানত হিসেবে তাদের স্টক দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠীরাজস্ব খাতে সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে গেছেবাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির পালে হাওয়া লেগেছে: টাইম ম্যাগাজিন
No icon

আগামীকাল শেষ দিন, রিটার্ন জমা দিতে কর অঞ্চলে ভিড়

টানা তিন বছর ধরে আয়কর মেলার আয়োজন করছে না জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। করদাতাদের সুবিধায় মেলার পরিবর্তে এনবিআরের অধীন সারা দেশে ৩১টি কর অঞ্চলের ৬৪৯টি সার্কেলে মেলার মতো উৎসবমুখর পরিবেশে রিটার্ন জমা নেওয়া হচ্ছে। মেলার সব সুযোগ-সুবিধাই পাওয়া যাচ্ছে কর অঞ্চলগুলোতে।অনলাইন পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকায় এবার বেশ সাড়া পড়েছে অনলাইনে রিটার্ন জমায়।মাসব্যাপী আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় শেষ হচ্ছে আগামীকাল বুধবার। এবার রিটার্ন জমার সময়সীমা বাড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছে এনবিআর। যার কারণে কর অঞ্চলগুলোতে এত দিন তেমন ভিড় না থাকলেও শেষ দিকে এসে রিটার্ন জমা দিতে উপচে পড়া ভিড় ছিল করদাতাদের। ভিড় থাকলেও করদাতাদের রিটার্ন জমা দিতে ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।সরেজমিনে গত রবিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভিন্ন কর অঞ্চল ঘুরে এসব দেখা গেছে। কর অঞ্চল-৪-এ গিয়ে দেখা যায়, রিটার্ন জমা দিতে প্রতিটি বুথেই করদাতারা ভিড় করছেন। এই কর অঞ্চলে শুধু সরকারি কর্মকর্তারা আয় কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন।

মহাখালীর বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সিনিয়র নার্স নাজমুল হোসেন কর অঞ্চল-৪-এ আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে   বলেন, শেষ সময়ের কারণে প্রতিটি বুথেই ভিড় বেশি। তবে কর কর্মকর্তারা দ্রুত সময়ে ও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন। মেলা না হলেও মেলার চেয়ে সুন্দর পরিবেশে রিটার্ন জমা নেওয়া হচ্ছে।ওই কর অঞ্চলে রিটার্ন জমা দিয়েছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আনিছুজ্জামান। তিনি বলেন,রিটার্ন জমার শেষ দিকে প্রতিবারই ভিড় থাকে, তার পরও মানুষ শেষ দিকেই এসে জমা দিতে চায়। তবে এবার বেশি সময় লাগেনি। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই জমা দিতে পেরেছি। জমা দিতে কোনো রকম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়নি। তিনি বলেন,আগে অফডের দিন (শুক্র-শনিবার) মেলায় রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল। এখানে এই সুযোগটি নেই। তাই আমি চাই আগামী বছর থেকে যেন মেলার আয়োজন করা হয়।কর অঞ্চল-৪-এর ৬ নম্বর বুথের দায়িত্বরত কর্মকর্তা নূরে আলম বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার রিটার্ন জমার পরিমাণ বেশি। শেষ দিকে ভিড় বাড়বে সেই চিন্তা মাথায় রেখেই আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি। যার কারণে ভিড় থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই করদাতারা রিটার্ন জমা দিতে পারছেন।

কর অঞ্চল-৬-এ গিয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। প্রতিটি বুথের সামনে ভিড় করে করদাতারা আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছে। কর অঞ্চল-৬-এ আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা আমিনুল হক বলেন, মাসের শেষ দিক হওয়ায় ভিড় বেশি, যার কারণে রিটার্ন জমা দিতে কিছুটা সময় বেশি লেগেছে। তবে মেলার মতোই আমরা কর অঞ্চলে সেবা পেয়েছি। কোনো অংশেই মেলার চেয়ে কম না। কর্মকর্তারাও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন।কর অঞ্চল-৬-এর কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, মূলত গত সপ্তাহ থেকেই ভিড় বাড়ছে। ২০ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমাদানে তেমন ভিড় ছিল না। শেষ দিকে এসে প্রচুর চাপ বাড়ছে। এটি শুধু এবার নয়, প্রতিবছর শেষ দিকে এসে এমন ভিড় হয়।