৩১ মে থেকে ফের শেয়ারবাজারে লেনদেনকরোনা মোকাবিলায় বাজেটে জরুরি বরাদ্দ থাকছে ১০ হাজার কোটি টাকা'পেট ভরে খেতে পারলেই হলো, বাজেটের খোঁজ রাখি না'ঈদের ছুটিতেও শুল্ক স্টেশন খোলা‘এবারের বাজেট বেঁচে থাকার বাজেট’
No icon

চীনা পণ্যে মার্কিন কর কার্যকর

চীনা পণ্যের ওপর তৃতীয় দফায় সোমবার মার্কিন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তির চলমান বাণিজ্য যুদ্ধে এটি ছিল বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে আরোপ করা সবচেয়ে বৃহৎ করারোপের সিদ্ধান্ত।চীনের ২০ হাজার কোটি ডলার মূল্যমানের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এ শুল্কারোপের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে চীনের অন্যায্য বাণিজ্য নীতিকে। পাল্টা যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে চীন। খবর বিবিসির। চীনের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র আন্তঃদেশীয় অর্থনীতিতে সর্বকালের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে। জুলাইয়ে শুল্কারোপ যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত ২৫ হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের চীনা পণ্যের ওপর করারোপ কার্যকর করল ট্রাম্প প্রশাসন। প্রায় ৬ হাজার পণ্যের ওপর এ শুল্কারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন থেকে এত বেশি পণ্যের ওপর কখনও এত বড় মাপের শুল্কের কশাঘাত করা হয়নি।

হ্যান্ডব্যাগ, চাল ও কাপড়ের ওপর এ শুল্ক আরোপিত হবে। তবে স্মার্ট হাতঘড়ি ও চেয়ারের মতো পণ্য শুল্কের আওতায় পড়বে না। যেসব চীনা পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করা হয়েছে, কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠান সেসব পণ্য আমদানি করতে চাইলে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রদান করতে হবে।

দু'দেশের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ২০১৯ সাল থেকে শুল্কের এ হার ২৫ শতাংশে উন্নীত হবে। এর বিপরীতে ছোট আকৃতির মার্কিন বিমান, কম্পিউটার ও টেক্সটাইল পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কারোপ করেছে চীন। রাসায়নিক দ্রব্য, মাংস, গম ও ওয়াইনের (মদ) ওপরও আরোপ করেছে ১০ শতাংশ শুল্ক।

সোমবার চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি লিখেছে, বাণিজ্য যুদ্ধ নিয়ে ভালোই চর্চা করছে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে বিশ্বের অন্যান্য দেশকে আতঙ্কের মধ্যে রাখছে ট্রাম্প প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতিতে আঘাত হানছে। যুক্তরাষ্ট্র অর্থনীতির ইতিহাসে সর্বকালের সববৃহৎ বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে বলেও অভিযোগ তুলেছে চীন। জুলাইয়ে ৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের চীনা পণ্যের ওপর শুল্কারোপের সিদ্ধান্ত নেয় হোয়াইট হাউস।

এরপর গত মাসে দ্বিতীয় দফায় ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসায় যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিশোধ হিসেবে ৫ হাজার কোটি ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্কারোপ করে চীন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আরও ২৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের পণ্যের ওপর স্বল্প সময়ের নোটিশে শুল্কারোপ করা হতে পারে। ফলে, কার্যত চীনের সব পণ্যের ওপরই শুল্ক বসে যাবে।