বাণিজ্য মেলায় সেরা ভ্যাট দাতার সম্মাননা পেয়েছে ১০ প্রতিষ্ঠানবন্দরে পণ্য আসার ৩ দিনের মধ্যে কাগজপত্র জমা না দিলে জরিমানাঢাকা ট্যাকসেস্ বার এসোসিয়েশন ২০২০-২০২১ এ ইকবাল সভাপতি ও মামুন সম্পাদক নির্বাচিতপুঁজিবাজারে আসছে রবি, শেয়ার ছাড়বে ৫২ কোটিকর বাড়ার পর মুঠোফোনের অবৈধ আমদানি বাড়ছে: বিএমপিআইএ
No icon

ভ্যাটে ঢাকা পশ্চিমের প্রবৃদ্ধি ২১ শতাংশ

মূল্য সংযোজন করে (ভ্যাট) চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেট ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাট আদায় করেছে ৯৪৪ কোটি টাকা। গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছর একই সময় আদায় হয়েছিল ৮১৭ কোটি টাকা। অর্থ্যাৎ ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেট ১২৭ কোটি টাকা বেশি ভ্যাট আদায় করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির। প্রতিষ্ঠানটির কমিশনার ড. মইনুল খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের সুফল আসতে শুরু করেছে। ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কর্তৃপক্ষ ভ্যাট আইন পরিপালেনে সমভাবে গুরুত্ব দিয়েছে। অনলাইন সেবায় প্রত্যাশা অনুসারে ফলাফলও এসেছে। ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের তথ্যানুসারে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে এগিয়ে আছে।

ভ্যাট অনলাইনের হিসাব অনুসারে নভেম্বর ২০১৯ এ সারা দেশের অনলাইনে দাখিলকৃত সর্বমোট রিটার্নের সংখ্যা ২ হাজার ৪০৪টি। দেশের ১২টি ভ্যাট অঞ্চলের মধ্যে ঢাকা পশ্চিমের ৭৫৫টা, যা প্রায় ৩২ শতাংশ। অনলাইন রিটার্ন দাখিলে এই সংখ্যা এককভাবে সর্বোচ্চ।

অনলাইন ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনেও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। বিভিন্ন সেবা ও পণ্য মিলে ১৪ হাজার ৪৫৫টি প্রতিষ্ঠান ১৩ ডিজিটের নিবন্ধন নিয়েছে।

এ বিষয়ে ড. মইনুল খান বলেন, নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের শুরুর দিকে কতিপয় চ‌্যালেঞ্জ থাকলেও ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেট তা কাটিয়ে উঠতে নানাবিধ তৎপরতা নেয়। ফলে এই রাজস্ব আহরণের সফলতা আসতে শুরু করেছে। নতুন আইনটি ব্যবসাবান্ধব করার ফলে ব্যবসায়ীরাও সুবিধা পাচ্ছেন। ভ্যাট প্রদানের অধিকতর সুবিধার্থে এবং নতুন বাণিজ্যিক বাস্তবতায় ঢাকা পশ্চিম থেকে ১৫৫টি প্রতিষ্ঠান অন্যত্র কেন্দ্রীয় নিবন্ধনের আওতায় স্থানান্তর হয়েছে। এর ফলে ঢাকা পশ্চিমের রাজস্ব কমে গেলেও ব্যবসায়ীদের সুবিধা হয়েছে।

অডিট ও অ‌্যানফোর্সমেন্টের মাধ্যমে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে দাবি করে ভ্যাট কমিশনার বলেন, আগামী মাস থেকে ইএফডি মেশিন চালু হলে নতুন আইনে ঢাকা পশ্চিমের ভ্যাট সংগ্রহে আরো স্বচ্ছতা আসবে।