১২ থেকে ১৫ এপ্রিল খোলা থাকবে ভ্যাট অফিসভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ীদের২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশআগামী বাজেটে কর্পোরেট কর এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড়ের পরামর্শ
No icon

মুজিববর্ষে ভ্যাট নিবন্ধন ৩ লাখে উন্নীত করার উদ্যোগ-এনবিআর

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মুজিববর্ষে ভ্যাট নিবন্ধনের সংখ্যা ৩ লাখে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ লক্ষ্যে এনবিআরের আওতাধীন ১২টি ভ্যাট কমিশনারেটকে নতুন ভ্যাটদাতা সনাক্তকরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী নতুন ভ্যাটদাতা খোঁজার কাজ শুরু করেছে কমিশনারেটগুলো। বর্তমানে সারাদেশে ভ্যাট নিবন্ধনের সংখ্যা দেড় লাখ। আগামী এক বছরে অর্থ্যাৎ ২০২১ সালের ১৭ মার্চের মধ্যে এই সংখ্যা ৩ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে রাজস্ব প্রশাসন। এ বিষয়ে যশোর ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মো. জাকির হোসেন বলেন, এনবিআরের নির্দেশ পেয়ে ইতোমধ্যে আমরা নতুন ভ্যাটদাতা সনাক্তকরণের জন্য ভ্যাট জরিপ কার্যক্রম শুরু করেছি। ভ্যাট কর্মকর্তারা বিভিন্ন শপিংমল বা মার্কেট পরিদর্শন করছেন। যেসব ব্যবসায়ী এখনও নিবন্ধিত হননি,তাদেরকে নিবন্ধন গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করছি।

যশোর কমিশনারেটের আওতায় ৫ হাজার নতুন ভ্যাটদাতা সনাক্তকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। জাকির হোসেন আরো জানান, যশোর ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা ব্যবসায়ীদের কাছে গিয়ে নিবন্ধন গ্রহণে উদ্ধুদ্ধ করার পাশাপাশি তাৎক্ষনিকভাবে ভ্যাট নিবন্ধন প্রদানের ব্যবস্থা করছে। এতে ব্যবসায়ীরা সহজে নিবন্ধন নিতে পারছেন।

তিনি বলেন,নতুন ভ্যাটদাতা সনাক্তকরণের জন্য প্রত্যেকটি কমিশনারেটকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে এনবিআর। মূলত ভ্যাটনেট সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করাই এর মূল উদ্দেশ্য বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, এখনও বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী ভ্যাট দিচ্ছেন না। তাই বিদ্যমান দেড় লাখ ভ্যাট নিবন্ধনকে ৩ লাখে উন্নীত করা খুব বেশি কঠিন কাজ নয়। আশা করি প্রতিটি কমিশনারেট উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদেরকে ভ্যাটনেটের আওতায় আনতে পারবে।

তিনি মনে করেন যেসব ব্যবসায়ীর নিবন্ধন নেই বা ভ্যাট দিচ্ছেন না, তাদেরকে ভ্যাটনেটের আওতায় আনা ছাড়া রাজস্ব আয় বাড়ানো কোনভাবেই সম্ভব নয়। এদিকে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে এনবিআর ভ্যাট দাখিলপত্র দাখিলের হার ৮০ শতাংশে উন্নীতকরণ, ২ লাখ ইএফডি ও ৫০০ এসডিসি স্থাপন, ৫ কোটি ও তদুর্ধ্ব টার্নওভারযুক্ত প্রতিষ্ঠানে সফটওয়্যার ব্যবহার নিশ্চিত করা, প্রতিটি কমিশনারেটে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন, উন্নত করবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, ভ্যাট সংক্রান্ত প্রচার-প্রচারণা চালানো, অনলাইনে দাখিলপত্র দাখিলের হার ৬০ শতাংশে উন্নীতকরণ এবং সঠিকভাবে ভ্যাট দাখিলের বিষয়ে ব্যবসায়ীদেরকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।