২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে অপরিবর্তিত থাকছে কর্পোরেট কর জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কৃষিপণ্যে কর ছাড়ের ঘোষণা করের ক্ষেত্রে আসছে ৮ পরিবর্তনসবার কথা মাথায় রেখে এ বাজেট দেওয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রীযে কোনো এলাকাকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ঘোষণা করতে পারবে এনবিআর
No icon

ব্যাংক থেকে বড় ঋণ নেবে সরকার

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতের ওপর বড় ধরনের নির্ভরশীলতা রাখছে সরকার। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে। ফলে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রধান উৎস হিসেবেই থাকছে ব্যাংক খাত। অর্থনীতিবিদদহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরে এলে সরকারের এ বিপুল ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিবছরই বড় অঙ্কের ঘাটতি রেখে বাজেট পেশ করে আসছে সরকার। এই ঘাটতি মেটানো হয় মূলত দুটি উৎস থেকে। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক খাত। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে রয়েছে ব্যাংক ব্যবস্থা, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানি এবং সঞ্চয়পত্র খাত। বৈদেশিক খাত থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা পাওয়া না গেলে অভ্যন্তরীণ উৎস্য তথা ব্যাংক ব্যবস্থার ওপরই বেশি নির্ভর করতে হয় সরকারকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে ঘাটতি ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার।