আবারও ভোজ্যতেলের ভ্যাট ১৫ শতাংশপ্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর সুপারিশ মেট্রো চেম্বারেরউচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা উৎসে কর কর্তন: ব্যাখ্যা চেয়ে এনবিআরকে তিন ব্যাংকের চিঠিমিয়ানমারের অর্থনীতি পতনের দ্বারপ্রান্তে
No icon

লিফটে শুল্ক না বাড়ানোর দাবি বেলিয়ার

প্রস্তাবিত বাজেটে লিফট আমদানিতে আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে দেশে লিফট আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ এলিভেটর এসকালেটরস অ্যান্ড লিফট ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)।গতকাল সোমবার রাজধানীর প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করে বেলিয়া। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন বেলিয়ার সভাপতি এমদাদ উর রহমান, সহসভাপতি আক্তার জামিলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এত দিন আমদানির ক্ষেত্রে লিফটকে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ক্যাটাগরিতে ধরা হতো। তখন লিফটের ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ শুল্ক দিতেন আমদানিকারকেরা। এর মধ্যে ১ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর ও ৫ শতাংশ ছিল অগ্রিম কর। কিন্তু প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে লিফট আমদানিতে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে লিফটকে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ক্যাটাগরি থেকে বাদ দেওয়ায় আরও ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়েছে এই পণ্য আমদানিতে। সব মিলিয়ে লিফট আমদানিতে এখন ৩১ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হবে আমদানিকারকদের।

বেলিয়ার নেতারা জানান, বাড়তি শুল্ক-করের কারণে আমদানি করা লিফটের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে বিক্রি কমে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আমদানিকারক বহু প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ভোক্তারাও। তাই ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেটে লিফটকে অত্যাবশ্যক ক্যাপিটাল মেশিনারি ক্যাটাগরিতে রেখে আগের ১১ শতাংশ শুল্ক হার বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা।বেলিয়ার নেতারা আরও বলেন, স্থানীয় শিল্প রক্ষার নামে আমদানি শুল্ক বাড়ানো হলেও বাজারে তাদের হিস্যা/অংশীদারি মাত্র ৫ শতাংশ। প্রতিবছর যে পরিমাণ লিফট সংস্থাপন হচ্ছে, স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তার ৫ থেকে ১০ শতাংশের বেশি সরবরাহ করতে পারবে না। এ ছাড়া পুরোপুরিভাবে দেশে লিফট উৎপাদনকারী কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এ অবস্থায় লিফট আমদানিতে বাড়তি শুল্ক আরোপের ঘটনা আত্মঘাতী হবে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা।

বেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম বলেন, আমদানি পর্যায়ে ৩১ শতাংশ কর আরোপের কারণে আমদানি করা লিফটের মূল্য অনেক বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে বাজারে অসম প্রতিযোগিতাও বেড়ে যাবে। এতে আমদানি কমে সরকারের রাজস্ব কমবে আর ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আমদানিকারকেরা। তাই আমরা লিফটকে অত্যাবশ্যক ক্যাপিটাল মেশিনারি ক্যাটাগরিতে রেখে আগের শুল্ক হার ১১ শতাংশ বহাল রাখার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে লিফট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানান তিনি।সংগঠনটির সভাপতি এমদাদ উর রহমান বলেন,লিফট আমদানি পণ্য হলেও তা অত্যাবশ্যক পণ্য হিসেবে দেখা উচিত। তাই সরকার অবশ্যই শুল্ক না বাড়িয়ে আগের মতো শুল্ক বহাল রাখবে, এটিই আমাদের দাবি।