দেশের ব্যবসায়ীরা ট্যাক্স টেররিজমের মধ্যে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ী নেতা অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। কর ব্যবস্থাকে ব্যবসায়ীরা অসম্ভব ভয় পায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গতকাল শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
করের টাকার সঠিক ব্যবহার এবং এ বিষয়ে জনগণকে জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রশিদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে ‘রেভিনিউ মোবিলাইজেশন, ইস্যু অ্যান্ড অপশন’, শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ
করদাতাদের একটি বড় অংশ এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হন, যেখানে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বহাল রাখা আর প্রাসঙ্গিক থাকে না।
ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া, দীর্ঘদিন আয় না থাকা, আইনি কাঠামোর পরিবর্তন কিংবা ভুলবশত টিআইএন গ্রহণ—এসব কারণেই
আসন্ন বাজেটে শুধু করহার নয়, করের আওতা বাড়ানোর ছক থাকবে। রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, ধানমন্ডি ও উত্তরার পাশাপাশি চট্টগ্রামের খুলশীর মতো বিভাগীয় শহরের অভিজাত এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের কর নথি যাচাই করতে ডোর-টু-ডোর জরিপ চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে
বাংলাদেশে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ প্রণয়নের সময় একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কর কাঠামো তৈরির প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তব প্রয়োগে আইনটির বহু ধারা, সংজ্ঞা এবং প্রশাসনিক ব্যাখ্যা এমন এক জটিলতা তৈরি করেছে, যা
ভ্যাট বিশ্বের অধিকাংশ আধুনিক অর্থনীতিতে সবচেয়ে কার্যকর পরোক্ষ কর ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। কারণ এটি উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটি ধাপে মূল্য সংযোজনের ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করে এবং রাজস্ব আহরণে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীলতা প্রদান করে। কিন্তু বাস্তবতা
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, “কর আইন যত জটিল হবে, ব্যবসার ব্যয় তত বাড়বে। ভ্যাট ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ব্যাখ্যানির্ভরতা কমিয়ে সরলতা আনতে হবে। কারণ বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন নীতির স্থিতিশীলতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতাকে।” তিনি
বাংলাদেশের ভ্যাট ব্যবস্থা আবারও নীতিনির্ধারণী আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে ভ্যাট কাঠামো সরলীকরণ, ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা এবং ব্যবসাবান্ধব প্রশাসনিক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর







