দেশে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং ভ্যাট ফাঁকির ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে রাজস্ব আহরণ ত্বরান্বিত করতে একটি শক্তিশালী টাস্কফোর্স গঠন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলমান অর্থবছরের শেষ চার মাসে ভ্যাট সংক্রান্ত ফাঁকি হ্রাস করে রাজস্ব আহরণে গতিশীলতা আনয়ন, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য এই টাস্কফোর্স করা হয়েছে।বুধবার এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (ভ্যাট বাস্তবায়ন ও আইটি) প্রণয় চাকমা সই করা অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। মোট ১০ সদস্যের এই টাস্কফোর্সে ঢাকা উত্তর ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মো. সামছুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এনবিআরের প্রথম সচিব (ভ্যাট বাস্তবায়ন) মো. রুহুল আমিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার কাজী ফরিদ উদ্দীন; প্রথম সচিব (ভ্যাট পরিবীক্ষণ ও করদাতা সেবা) নাহিদ নওশাদ মুকুল; এনবিআরের প্রথম সচিব (ভ্যাট নীতি) মো. মশিউর রহমান; গাজীপুর ভ্যাটের অতিরিক্ত কমিশনার রাকিবুল হাসান; ঢাকা দক্ষিণের ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার রেজভী আহমেদ; কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক কাজী রেজাউল হাসান; ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপ কমিশনার ইমাম গাজ্জালী; এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (ভ্যাট করদাতা সেবা) প্রণয় চাকমা। প্রয়োজনে কমিটি যেকোনো কর্মকর্তাকে কো-অপ্ট বা অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে।টাস্কফোর্সের কার্যপরিধির বিষয়ে আদেশে বলা হয়েছে, এই টাস্কফোর্স মূলত রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক তৎপরতা গ্রহণ ও মনিটরিং করবে। এছাড়া সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট এবং সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা (কি, কিভাবে, কে, কখন) প্রণয়ন; অর্থনৈতিক গণতান্ত্রয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আসন্ন বাজেটসহ ভবিষ্যতে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে সুর্নিদিষ্ট এবং সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা (কি, কিভাবে, কে, কখন) প্রণয়ন; করনেট বৃদ্ধিকরণে কর্মকৌশল বাস্তবায়ন; ঋণাত্মক খাতসমূহকে ঋণাত্মক খাতে পরিণতকরণ; নিরঙ্কুশ বকেয়া আদায় নিশ্চিতকরণ এবং চলমান মামলা ও অডিটসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ে টাস্কফোর্স কাজ করবে।

