প্রজ্ঞাপন দিয়ে যে কোনো এলাকাকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ঘোষণা করতে পারবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই অঞ্চলে কোনো প্রতিষ্ঠান আলাদা বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স ছাড়াই শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবে। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) রাজস্ব আহরণে বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এনবিআরকে আগামী অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আহরণ করতে হবে। এই লক্ষ্যমাত্রা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ১ লাখ ৫
ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য আগামী ৫ বছরের জন্য প্রগতিশীল করকাঠামোর প্রস্তাব করেছে সরকার। এতে আগামী অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা
৬৭ সেরা করদাতাকে পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য কর প্রদানে উৎসাহিত করতে ‘সেরা করদাতা পুরস্কার নীতিমালা-২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নীতিমালার ভিত্তিতে খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ ২২টিসহ মোট ৬৭ জন করদাতাকে সেরা করদাতার পুরস্কার প্রদান
জেলা পর্যায়ে রাজস্ব দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ওপর ন্যস্ত। তবে কর আহরণের পরিধি বা করজাল সম্প্রসারণে তাদের কার্যকর সম্পৃক্ততা এখনো কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছেনি। ফলে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, “কর আইন যত জটিল হবে, ব্যবসার ব্যয় তত বাড়বে। ভ্যাট ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ব্যাখ্যানির্ভরতা কমিয়ে সরলতা আনতে হবে। কারণ বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন নীতির স্থিতিশীলতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতাকে।” তিনি
এনবিআরে স্বারকলিপি আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইঞ্জিনের ক্ষমতার (সিসি) ওপর ভিত্তি করে মোটরসাইকেলের অগ্রিম আয়কর বসানোর যে আলোচনা রয়েছে, তাতে আপত্তি জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) স্বারকলিপি দিয়েছেন বাইক চালকরা।
রোববার (১৭ মে) সকাল থেকে
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হচ্ছে। এই অঙ্ক চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা এবং সংশোধিত








