বার্ষিক টার্নওভার ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকা হলে সে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধনের পরিবর্তে ‘তালিকাভুক্তির সদন’ নিতে হয় এবং টার্নওভারের ওপর ৪ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে হয়। কিন্তু ৩০ লাখের নিচে টার্নওভারের প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বা ‘তালিকাভুক্তির সনদ’ কোনোটাই নিতে হয় না। এর ফলে ৩০ লাখের নিচে টার্নওভারের কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের ভ্যাট দিতে হয় না। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে টার্নওভারের এ সীমা তুলে দিয়ে প্রায় সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টার্নওভারের ৪ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপ করা হবে। ভ্যাটের পরিমাণ মাসিক এক হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বছরে ভ্যাট বাবদ ১২ হাজার থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

