বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে
আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। এ বারের বাজেটে কোনো পেশার মানুষই বাদ পড়ে নি বলে জানান তিনি।
শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামী অর্থবছরের বাজেট
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন অর্থবছরের জন্য তিনি ৯ লাখ ৩৮ হাজার
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতের ওপর বড় ধরনের নির্ভরশীলতা রাখছে সরকার। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে
বিরোধীদল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার একটি জাতীয় বিকল্প বা ছায়া বাজেট পেশ করেছে। এতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জনপ্রশাসন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ
দেশের স্বাস্থ্য খাতের চরম অব্যবস্থাপনা দূরীকরণ, নজিরবিহীন বাজেট বৈষম্যের অবসান এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই খাতে মোট জাতীয় বাজেটের অন্তত ৮ শতাংশের বেশি বরাদ্দ রাখার আহ্বান
আসন্ন জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি উন্নয়ন ও বিকাশে ২ শতাংশ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিককর্মী সংঘ। সংগঠনটি বলেছে, জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতের জন্য দুই শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা গেলে দেশের সাংস্কৃতিক অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পী কল্যাণ,








