এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়েব্যবসায়ীদের কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব চাইল এনবিআরজাল টিআইএন ব্যবহার: নিবন্ধন পৌনে ৫ লাখ গাড়ি অর্থনীতিতে যোগ হচ্ছে ৮৩৪২ কোটি টাকা২৯ টাকা ভ্যাট দিয়ে জিতলেন ১০ হাজার টাকা
No icon

সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত বা ডিপিএস নিয়ে যত জটিলতা

আয়কর ফাইলে যদি সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত, ডিপোজিট পেনশন স্কিম (ডিপিএস) ও আমানতের সঠিক বিবরণ না থাকে, তবে কিন্তু বিপত্তি। সঠিকভাবে হিসাবভুক্ত না হলে খেসারত দিতে হয়। গুনতে হয় অতিরিক্ত আয়কর। এমনকি জেল বা জরিমানাও হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, একাধিক ব্যাংক হিসাব আছে, কিন্তু আয়কর ফাইলে সব তথ্য না দিয়েই আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে দেয়। আবার প্রদর্শন করা ব্যাংকের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আয়কর ফাইলে যে আয় দেখানো আছে, তার থেকে ব্যাংক লেনদেন বেশি। অর্থাৎ, আয়কর রিটার্নের সঙ্গে মিল নেই, এ রকম একাধিক লেনদেন থাকে।

মনে রাখা দরকার, জমা দেওয়ার পর আয়কর রিটার্ন কিন্তু বিভিন্ন সময় পর্যালোচনা করা হয়। যেমন:
১. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে প্রতিবছর কিছু ফাইল অডিট করা হয়।
২. কিছু ফাইল যুগ্ম কর বা অতিরিক্ত কর কমিশনার দ্বারা নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাকে আয়করের ভাষায় অর্থোডক্স বলা হয়।
৩. কর পরিদর্শন বিভাগ বা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল কর্তৃক কিছু ফাইল পর্যালোচনা করা হয়।
৪. উপকর কমিশনার (ডিসিটি) যেকোনো সময় যুগ্ম কর কমিশনার বা অতিরিক্ত কর কমিশনারের অনুমতি সাপেক্ষে ৯৩ ধারায় ফাইল পুনরায় উন্মোচন করতে পারেন। আয়কর আইনে ৬ বছর পর্যন্ত আয়কর ফাইল পুনরায় উন্মোচন করা যায়।
৫. আয়কর অফিস বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাব সার্চ করে তথ্য বের করে।
৬. কোনো কারণে আয়কর ফাইলে কোনো সঞ্চয়পত্র, ডিপিএস, মেয়াদি সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক হিসাব বাদ পড়লে এ ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কর দিয়ে এ বছর প্রদর্শন করা যাবে।