৩১ মে থেকে ফের শেয়ারবাজারে লেনদেনকরোনা মোকাবিলায় বাজেটে জরুরি বরাদ্দ থাকছে ১০ হাজার কোটি টাকা'পেট ভরে খেতে পারলেই হলো, বাজেটের খোঁজ রাখি না'ঈদের ছুটিতেও শুল্ক স্টেশন খোলা‘এবারের বাজেট বেঁচে থাকার বাজেট’
No icon

করোনায় ভ্যাট রিটার্নের জরিমানা-সুদ গুনতে হবে না

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) রিটার্ন দাখিল করতে না পারলে জরিমানা ও সুদ দিতে হবে না। এমন বিধান রেখে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) আইন, ২০২০-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইনের একটা বিধান আছে, প্রত্যেক মাসের রিটার্নটা পরের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হয়। কিন্তু এই কোভিড সিনারিওর ফলে ম্যাক্সিমাম জায়গায় ব্যবস্থা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত বন্ধ থাকার ফলে বড় বড় ব্যবসায়ীদের পক্ষে পরের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এটা উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আইনের বিধান আছে যদি ১৫ তারিখের মধ্যে না হয় তাহলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতি একদিনের জন্য ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। এটা যেহেতু কারও কোনো ফল্ট না একটা প্রাকৃতিক বিষয়। আন্তর্জাতিক চুক্তি-আইনগুলোর বিধান আছে, দুই পার্টি যখন কাজ করবে তখন সেখানে অ্যাক্টস অব গড নামে একটা প্রভিশন আছে। যে বিষয়গুলো দুই পক্ষের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে প্রকৃতি বা অতিপ্রাকৃত কোনো কারণে হয়, সেক্ষেত্রে তারা আলোচনা করে এটা সমাধান করতে পারবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন,একইভাবে আমাদের এই বিধানটা নিয়ে আসা হচ্ছে, ১৫ তারিখে না, এটা পরবর্তীতে সরকারের অনুমোদনক্রমে রাজস্ব বোর্ড এক্সাম্পট (অব্যাহতি) করতে পারবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতি একদিনের জন্য ২ শতাংশ করে সুদ। এটা হিউজ অ্যামাউন্ট হয়ে যায়।

তিনি বলেন, বোর্ড জনস্বার্থে জরিমানা ও সুদ পরিশোধ ছাড়া দাখিলপত্র পেশের সময়সীমা বাড়াতে পারবে, এটা সরকারের অনুমোদন নেবে। এই সংশোধনীটুকু মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইনে নিয়ে আসা হয়েছে।