জাতীয় আয়কর দিবস আজরিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে এনবিআরকেআগামীকাল শেষ দিন, রিটার্ন জমা দিতে কর অঞ্চলে ভিড়করদাতা ও গ্রহীতার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবেঢাকা উত্তরে করের বোঝা চেপেছে মানুষের ওপর
No icon

শুল্ক্কমুক্ত সুবিধার আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের পরও পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখতে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) দেনদরবার বাড়াতে হবে। আরও অন্তত ছয় বছর এ সুবিধা পেতে প্রয়োজন জোর লবিং। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে আরও ৯ বছর শুল্ক্কমুক্ত সুবিধা এবং পরবর্তী সময়ে জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতেও জোটের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রকল্পের (এসএসজিপি) উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী জাতীয় এই সেমিনার গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট চারটি কর্ম অধিবেশনে সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি মাইল ফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়বে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নতর কৌশল নেওয়া হবে।

উদ্বোধনী এবং সমাপনী উভয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং এলডিসি উত্তরণ-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভাপতি ড. আহমদ কায়কাউস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের অর্থনীতির চেয়ে বেশি শক্তিশালী। স্থানীয় চাহিদা ও জোগান এ দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ সংকট আগামী জানুয়ারি থেকেই কমে আসবে। এ জন্য সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের ফলে দেশে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে। এতে শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।ইআরডি সচিব শরিফা খান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।

দিনের প্রথম কর্ম অধিবেশনে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পিটিএ বা এফটিএর মতো চুক্তি স্বাক্ষর করে বাণিজ্য সুবিধা আদায় করার চেষ্টা চলছে।এই অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইইউ ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন ড. বারন্ড স্প্যানিয়ার ও গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।