৫,০০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যে ১ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকারএনবিআরের করজাল বিস্তারে নজরফাঁকি দেওয়া করের ৫৩২ কোটি টাকা আদায়কর কর্মকর্তাদের সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বানঅডিটের আওতায় ৮৮ হাজার আয়কর রিটার্ন
No icon

কর ব্যবস্থার সংস্কারেই সমাধান দেখছেন বিশেষজ্ঞরা


বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বহুমাত্রিক চাপের মধ্যে রয়েছে। একদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে ডলার সংকট ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ কমে এসেছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল কর কাঠামো গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতি বছর করহার ও নীতির পরিবর্তনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে এবারের বাজেটে অন্তত পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল করনীতি, কর ব্যবস্থার সরলীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।

তাদের মতে, দেশের কর ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিকতার অভাব রয়েছে। প্রায় প্রতি অর্থবছরেই করহার, উৎসে কর, ন্যূনতম কর কিংবা কর অব্যাহতির ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়। এতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়। কারণ একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সাধারণত পাঁচ থেকে ১০ বছরের পরিকল্পনা সামনে রেখে বিনিয়োগ করে। কিন্তু কর কাঠামো বারবার পরিবর্তিত হলে বিনিয়োগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।