আয়কর রিটার্ন দাখিলসহ মেলার পরিবেশে করদাতাদের সব ধরনের সেবা দিতে রোববার (৩ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে কর তথ্যসেবা মাস। নভেম্বর মাসজুড়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের ৪১টি কর অঞ্চলের ৮৬৯টি সার্কেলে অফিস চলাকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া
করদাতাদের সঙ্গে যদি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর কর্মকর্তাদের দেখা–সাক্ষাৎ না হয়, তাহলে দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থনীতিবিদ ও রাজস্ব খাতের পণ্ডিতেরা বহু বছর ধরে এ কথা বলে আসছেন। কিন্তু বাস্তবে এমন উদ্যোগ খুব
সাধারণত প্রতি অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এই পাঁচ মাস জরিমানা ছাড়া বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া হয়। ৩০ নভেম্বর দেশে আয়কর দিবস হিসেবে পালিত হয়। এদিনই ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমার শেষ তারিখ। প্রতি
আইন অনুযায়ী ব্যক্তি পর্যায়ের করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর। কম্পানির আয়ের রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত সময়সীমা ১৫ জানুয়ারি। সর্বশেষ ২০২০ সালে নভেম্বর মাসজুড়ে আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর এরই আদলে সংক্ষিপ্ত পরিসরে
চার বছর পর আবারও আয়করমুক্ত সুবিধা পেল গ্রামীণ ব্যাংক। আয়কর রিটার্ন দাখিলের শর্তে ব্যাংকটিকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কর অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। একই শর্তে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত দান হিসেবে পাওয়া আয় থেকে কর অব্যাহতি
ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক আয়করমুক্ত সুবিধা ফিরে পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত আয়করমুক্ত সুবিধা দিয়ে গত বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী,
আয়কর আইন, ২০২৩ সংস্কার সংক্রান্ত সাত সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৪ রহিতক্রমে যুগোপযোগী ও সময়োপযোগী করে সম্পূর্ণ বাংলা
আয়করের ই রিটার্ন জমার সংখ্যা গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৫০ হাজার পার হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল ও কর পরিপালন সহজীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনলাইন রিটার্ন দাখিল সিস্টেম







