আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে কর ছাড়ের পরিকল্পনা করছে সরকার। চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, ময়দা, পেঁয়াজ এবং বিভিন্ন মসলার মতো পণ্যে বিদ্যমান ১ শতাংশ উৎস কর বাতিল করা, নিত্যপণ্যের
সরকার আগামী জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ ১ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ কর (Wealth Tax) পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে। বর্তমান সম্পদ সারচার্জ ব্যবস্থা বাতিল করে এই নতুন কর আরোপের মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের
বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বহুমাত্রিক চাপের মধ্যে রয়েছে। একদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে ডলার সংকট ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচও বেড়েছে। শিল্প খাতে নতুন বিনিয়োগ কমে এসেছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহেও
দেশজুড়ে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে নিবন্ধন ও কর ব্যবস্থার আওতায় আনতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এলাকাভেদে এসব অটোরিকশার ওপর বছরে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাব রাখা
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলকে অগ্রিম আয়করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। সোমবার বাজেটসংশ্লিষ্ট এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেট কার,
১৭ মাসে কর ফাঁকির ৫৩২ কোটি টাকা আদায় করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট। এছাড়া প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কর নথিতে কর ফাঁকির অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে। আর এ সময়ের মধ্যে
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হচ্ছে না। নতুন কাঠামো অনুযায়ী আয় না বাড়লেও করের হার ও স্ল্যাব পরিবর্তনের কারণে অধিকাংশ করদাতাকেই আগের তুলনায় বেশি কর দিতে হবে। পাশাপাশি, ব্যক্তির নামে স্থাবর






