করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো উচিত ছিলকর-ভ্যাটের চাপ আরও বাড়বেবাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৩০ পণ্যে কমছে করভোগ্য পণ্যে শুল্ক কমানোর পরামর্শনতুন করের বোঝা না চাপানোর অনুরোধ ডিএসই’র
No icon

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব কম আহরণ হয়েছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) চূড়ান্ত হিসাব এখনো আসেনি। আগামী ১৫ জুলাই ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। ঐ সময় শেষে বড় অঙ্কের অর্থ জমা পড়বে। ফলে ঘাটতি কিছুটা কমবে। এনবিআর সূত্রে জানা যায়, গত অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি খাত অর্থাত্ কাস্টমস বিভাগ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৯১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। আগের বছরের চেয়ে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঘাটতি প্রায় ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা।  

অন্যদিকে ভ্যাট খাতে সর্বোচ্চ সাড়ে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও ঘাটতি থেকে বের হতে পারেনি। ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। ঘাটতি ১৬ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা। ভ্যাট খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন ১৫ জুলাই যখন চূড়ান্ত হিসাব হবে তখন হয়তো ঘাটতি অনেক কমে যাবে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর আমদানি পণ্যের দাম বাড়তে থাকে। পাশাপাশি ডলার সংকটের কারণে আমদানি ব্যয়ও বেড়ে যায়। এর প্রভাবে আমদানি খাতে রাজস্ব বৃদ্ধির প্রত্যাশা থাকলেও আমদানি নিয়ন্ত্রণের প্রভাবে সেভাবে বাড়েনি। আমদানি নিয়ন্ত্রণের কারণে পর্যাপ্ত এলসি খুলতে পারেনি ব্যবসায়ীরা। তার প্রভাব রাজস্বে পড়েছে। 

বিদায়ি অর্থবছরে আয়কর খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। ঘাটতি ৯ হাজার ১৭৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আয়কর খাতে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর আগে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা। ঐ বছর ৩ লাখ ৮৫২ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল।