১২ থেকে ১৫ এপ্রিল খোলা থাকবে ভ্যাট অফিসভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ীদের২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশআগামী বাজেটে কর্পোরেট কর এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড়ের পরামর্শ
No icon

করপোরেট কর কমানোর দাবি এফআইসিসিআইয়ের

বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) ২০২০-২১ অর্থবছরে করপোরেট করহার ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমানোর দাবি করেছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিশ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি। গতকাল সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত চলমান প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এসব দাবি করেন সংগঠনটির নেতারা। এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে সভায় এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির ভ্যাট ও শুল্কে ২২টি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। এতে সব ধরনের কোম্পানির ক্ষেত্রে করপোরেট কর ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমানোর কথা বলা হয়।

এদিকে বর্তমান জীবনধারণ ব্যয় ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্যক্তিশ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির প্রস্তাবও দেয় সংগঠনটি।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন এফআইসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কেদার লেলে, রবির সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদসহ নির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা।

এদিকে ওই প্রস্তাবে ভিত্তিমূল্যের পরিবর্তে লেনদেনের মূল্যের ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হিসাব করার দাবি জানিয়েছে এফআইসিসিআই। একই সঙ্গে বিলাসবহুল পণ্য ব্যতীত স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্যে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার চেয়েছে সংগঠনটি।

আলোচনার এক পর্যায়ে সংগঠনটির একজন সদস্য সিমেন্ট উৎপাদনকারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন এইচএস কোডের আওতায় ৫ শতাংশ শুল্কহার দাবি করেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এফআইসিসিআই জানিয়েছে, অর্থনৈতিক বিকাশের স্বার্থে পর্যায়ক্রমে করপোরেট করহার কমানো উচিত। কয়েক বছর ধরে আশানুরূপ স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগ হচ্ছে না। আর বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান তৈরি করা সম্ভব হবে না।

এ বিষয়ে এফআইসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির বলেন, আমরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছি বাংলাদেশে করপোরেট কর সবচেয়ে বেশি। আমরা করপোরেট ট্যাক্সকে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য বলছি। আমরা আরো বেশকিছু বিষয়বস্তু এনবিআর চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছে উপস্থাপন করেছি। তারা আমাদের বিষয়বস্তুগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছেন। কিছু কিছু বিষয় তারা বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি, একটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত তারা নেবেন। আমরা চাই সরকারের রাজস্ব বাডুক। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি ক্ষতিগ্রস্ত করে নয়।