চলতি বছরে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশেআগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করতে হবে ঋণদাতাদের আশ্বস্ত করতে জামানত হিসেবে তাদের স্টক দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠীরাজস্ব খাতে সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে গেছেবাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির পালে হাওয়া লেগেছে: টাইম ম্যাগাজিন
No icon

বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাবে না আইএমএফ

২০২৩ সালও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য কঠিন সময় যাবে। এই বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ২০২৩ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস হ্রাস করবে না। সংস্থাটির পূর্বাভাস, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ।

কিছুদিন আগেই বিশ্বব্যাংক বলেছে, বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। মন্দা না হলেও প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাবে। জ্বালানি তেলের দাম তেমন একটা বাড়বে না। সেই সঙ্গে শ্রমবাজারও বেশ শক্তিশালী। এই বাস্তবতায় ২০২৩ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস হ্রাস করবে না আইএমএফ।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। তিনি বলেন, সবচেয়ে ইতিবাচক চিত্র দেখা যাচ্ছে শ্রমবাজারে। মানুষের যত দিন কাজ থাকে, তত দিন তারা ব্যয় করবে, এমনকি দ্রব্যমূল্য বেশি থাকলেও। তিনি মনে করেন, অর্থনীতির শ্লথগতি চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছে এবং ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে।

ক্রিস্টালিনার আশাবাদের কারণ হলো চীন। একসময় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চীনের অবদান ছিল ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ। কিন্তু গত কয়েক বছরে তাদের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। তিনি মনে করছেন, চীন আবার বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পালে হাওয়া দেবে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে চীনের কোভিড নীতির ওপর। সম্প্রতি তারা শূন্য কোভিড নীতি থেকে সরে এসেছে। দেশটি এই নীতিতে অটল থাকলে চীন শক্তিশালী হবে।

খবর আল-জাজিরার