চলতি বছরে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশেআগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করতে হবে ঋণদাতাদের আশ্বস্ত করতে জামানত হিসেবে তাদের স্টক দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠীরাজস্ব খাতে সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে গেছেবাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির পালে হাওয়া লেগেছে: টাইম ম্যাগাজিন
No icon

শুল্ক ও করের কারণে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হচ্ছে

আসবাব খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী আসবাবের বাজার প্রতিবছরই বাড়ছে। ২০২১ সালে বিশ্বে আসবাবের বাজারের আকার ছিল প্রায় ৬৫ হাজার কোটি ডলার। চলতি বছর এই বাজারের আকার হবে ৭০ হাজার কোটি ডলার। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের আসবাব রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ডলার। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ৩৯ শতাংশ বেশি। তারপরও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এ খাতের উন্নয়নের গতি এখনো মন্থর।হাতিলের পরিবেশক সম্মেলনে এসব কথা বলেন হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান। গত শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত পরিবেশক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি। আরও উপস্থিত ছিলেন হাতিলের পরিচালক মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান, মশিউর রহমান ও সফিকুর রহমান। হাতিলের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

পরিবেশক সম্মেলনে বক্তব্য দেন হাতিলের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান। গত  শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠানে সেলিম এইচ রহমান বলেন, আসবাব খাতে কোনো সংযোগ শিল্প গড়ে না ওঠার কারণে আসবাব তৈরির বেশির ভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। দেশের বাইরে থেকে আমদানি করতে গেলেই বড় অঙ্কের শুল্ক ও কর দিতে হয়। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চীন ও ভিয়েতনামের সঙ্গে আমাদের অসম প্রতিযোগিতার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। পণ্যের মূল্য প্রতিযোগিতামূলক হলে বাজারে টিকে থাকতে এবং হিস্যা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।সেলিম এইচ রহমান আরও বলেন, আসবাবপত্র রপ্তানির জন্য বন্ড সুবিধা, কাঁচামালের আমদানি শুল্ক হ্রাস, রপ্তানি প্রণোদনা ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হলে খাতটি চীন, ভিয়েতনামসহ অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।