জাতীয় আয়কর দিবস আজরিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে এনবিআরকেআগামীকাল শেষ দিন, রিটার্ন জমা দিতে কর অঞ্চলে ভিড়করদাতা ও গ্রহীতার সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবেঢাকা উত্তরে করের বোঝা চেপেছে মানুষের ওপর
No icon

১৭ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দুই আমদানিকারক কারাগারে

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে সিগারেট আমদানি করে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দুই আমদানিকারককে কারাগারে পাঠিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। তাদের নাম গোলাম মোস্তফা ওরফে ev”Pz মিয়া এবং রাসেদুল ইসলাম কাফি। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার আসামি তারা। এর মধ্যে গোলাম মোস্তফা ঢাকার মিমি লেদার কটেজের স্বত্বাধিকারী এবং রাসেদুল ইসলাম পাবনা সদরের এস কে এস এন্টারপ্রাইজের মালিক।

রোববার (২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক ড. বেগম জেবুন্নেসা জামিন আবেদন না gÄyi  করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক জানান, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে উচ্চ শুল্কের সিগারেট আমদানি করে সরকারি প্রায় ১৭ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে চলতি বছরের ৯ ও ১০ মার্চ দুটি মামলা করে দুদক।

দুই মামলায় গোলাম মোস্তফা এবং রাসেদুল ইসলাম প্রধান আসামি। এরপর উচ্চ আদালত থেকে দুই আসামি ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে ২ অক্টোবর বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে ফের জামিনের আবেদন করেন তারা। আদালত শুনানি শেষে জামিন না gÄyi করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে ব্যাগ ও জুতা তৈরির মেশিন আমদানির ঘোষণা দিয়ে বেনসন সিগারেট আমদানি করেন মিমি লেদার কটেজের মালিক গোলাম মোস্তফা। এসব সিগারেট উচ্চ শুল্কের। ওই চালানে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে আমদানিকারক ৮ কোটি ১৮ লাখ ৫ হাজার ১৮৩ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেন।

একইভাবে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে রুটি তৈরির মেশিনের ঘোষণা দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে উচ্চ শুল্কহারের সিগারেট আমদানি করেন আরেক আমদানিকারক পাবনার এস কে এস এন্টারপ্রাইজের মালিক রাসেদুল ইসলাম কাফি। তিনিও ৮ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার ১১২ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেন।

এই দুই ঘটনা অনুসন্ধান শেষে মামলা করে দুদক। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ করা হয়। মামলা দুটিতে আমদানিকারক ছাড়াও কাস্টমস কর্মকর্তা, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানসহ আরও অন্তত ১৬ জন আসামি রয়েছেন।