বাংলাদেশের জন্য করোনা একটি দুর্যোগ বলে অভিহিত করেছেন অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, এবারের বাজেট বেঁচে থাকার বাজেট। তারা বলেছেন, আমাদের মতো একটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশে, যেখানে কয়েক বছরের নিরন্তর চেষ্টায় উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে
আগামী অর্থবছরের বাজেটে অবশ্যই যেন কোনোভাবে কালো টাকা সাদার ব্যবস্থা না থাকে। কারণ এটি সামগ্রিকভাবে আমাদের অর্থনীতিতে কোনো ধরণের সুফল বয়ে আনে না। তাই এ ধরনের সুবিধা দেয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছে বেসরকারি গবেষণা
করোনায় বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত। এ রকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আগামী ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করতে হচ্ছে। ফলে এবারের পরিস্থিতি অন্যবারের চেয়ে একেবারেই আলাদা। তাই বাজেটে ৪টি খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে-
লকডাউনে গোটা দেশের মানুষ ঘরবন্দি। লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে অর্থনীতি। বছরের শুরুতে যে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তাও এখন অনিশ্চিত। ধারণা করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত তা ৬ শতাংশ অর্জন হতে পারে। আর এসব প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেই
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে থমকে গেছে সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, পুরো বিশ্ব পড়েছে আর্থিক মন্দায়। এর প্রভাব ইতোমধ্যে পড়েছে দেশের অর্থনীতিতেও। করোনার সংক্রমণরোধে সারাদেশ রয়েছে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে। ফলে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের অফিস-আদালত বন্ধ। এ অবস্থার মধ্যেই
করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সারা দেশে চলছে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি। ফলে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের অফিস-আদালত বন্ধ। দেশের অনেক জেলায় উপজেলায় লকডাউন (অবরুদ্ধ) ঘোষণা করা হয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই চলতি বাজেটের মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে। তারপরও যথাসময়েই
করোনাভাইরাসের প্রকোপের ফলে দেশে যে ধরনের দুর্যোগ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে বর্তমানে জাতীয় বাটেজ তৈরি করার মতো পরিস্থিতি নেই বলে মন্তব্য করেছেন এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মর আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড.
করোনার বিপর্যয়ে অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে চলতি অর্থবছরেই জরুরি ভিত্তিতে ২৫ কোটি ডলার চেয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। বর্তমান বাজার দরে টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। গত বছরের প্রতিশ্রুত ৭৫ কোটি ডলারের