কর কাঠামো সহজ করার পরামর্শ১ জুলাই থেকে সব কর প্রস্তাব কার্যকরের পরামর্শবছরে ১০০ বা ১০০০ টাকার প্রতীকী করের প্রস্তাবভ্যাট রিটার্নে হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থাকোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়ল
No icon

কর কাঠামো সহজ করার পরামর্শ

বাংলাদেশে সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট কাঠামোর যৌক্তিকীকরণ নিয়ে এক আলোচনায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের কর কাঠামো অত্যন্ত জটিল। তারা কর কাঠামো সহজ করা, এনবিআরের কর নীতি ও কর প্রশাসন আলাদা করা এবং আধুনিক ডেটা বা উপাত্ত ব্যবস্থাভিত্তিক সংস্কারের দিকে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।গতকাল রোববার রাজধানীর বনানীতে নিজস্ব কার্যালয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন পিআরআইর চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার।প্রধান অতিথি ছিলেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ও সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইর গবেষণা পরিচালক ড. বজলুল হক খন্দকার এবং এম গ্রুপ গ্লোবালের প্রধান হাফিজ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদউদ্দিন আহমেদ।

প্যানেল আলোচক ছিলেন দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ এবং দৈনিক সমকালের সহযোগী সম্পাদক জাকির হোসেন।জাকির আহমেদ খান বলেন, রাজস্ব বৃদ্ধির সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বিদ্যমান করের কার্যকর প্রয়োগ, নতুন কর আরোপ নয়। তিনি করনীতি ও কর প্রশাসন আলাদা করার ওপর জোর দেন। ড. জাইদি সাত্তার বলেন, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সম্পূরক শুল্কের একটি সর্বোত্তম হার নির্ধারণ করা প্রয়োজন, যা অতিরিক্ত কর আরোপের মাধ্যমে রাজস্ব কমিয়ে না দিয়ে সর্বাধিক সংগ্রহ নিশ্চিত করবে।ফরিদউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান কর কাঠামো অত্যন্ত জটিল। ১১৩টি ভিন্ন ট্যারিফ হার এবং ৫ থেকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পূরক শুল্ক রয়েছে।মূল প্রবন্ধে ড. বজলুল হক খন্দকার বলেন, একই উৎপাদন স্তরে সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট থাকার কারণে করের ওপর কর আরোপ হচ্ছে।