ভ্যাট রিটার্নে হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থাকোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়লতামাক কর সংস্কারে ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবেকৃষিপণ্যে উৎসে কর অব্যাহতি চায় বাপাশিগগিরই ভ্যাট ও আয়কর রিফান্ড পাবেন ব্যবসায়ীরা
No icon

ঢাকা ট্যাকসেস বার নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

ঢাকা ট্যাকসেস বার অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম, আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত “সবুজ প্যানেল”।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সবুজ প্যানেলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘ ৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ২২ ও ২৩ এপ্রিলের এই নির্বাচনে বিপুল উৎসাহ নিয়ে ভোটাররা অংশগ্রহণ করলেও নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরু থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত নানা অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।
সবুজ প্যানেল প্রথমেই ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ থাককলেও পেশাগত ঐক্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বারের উন্নয়নের স্বার্থে বিজয়ী প্যানেলকে অভিনন্দন জানায়। তবে তারা আশা প্রকাশ করে যে, নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে ও নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা যেন  পেশাগত মর্যাদা ও সদস্যসেবায় নিরপেক্ষ এবং কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচন কমিশন একপেশেভাবে গঠন করা হয়েছে, যেখানে একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের সমর্থকদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অন্য প্যানেলগুলোর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য বারবার আবেদন করা হলেও তা যতাযথ কার্যকর হয়নি।
এছাড়া জাল ভোট প্রদান, গণনার একই হাতের লেখায় অসংখ্য ব্যালট এর নজির পাওয়া যায়। ভোটারদের প্রভাবিত করা, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে উপঢৌকন বিতরণ, ভোটার লাইনে বাধা সৃষ্টি, এবং দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।
সবুজ প্যানেল আরও দাবি করে, নির্বাচন চলাকালে তাদের পর্যবেক্ষকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রের বাইরে রাখা হয়েছে। এমনকি ভোট গণনার সময়ও তাদের প্রতিনিধিদের সময়মত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতার অভাব এবং অভিযোগগুলোর যথাযথ তদন্ত না হওয়ায় পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
ভবিষ্যতে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবুজ প্যানেল কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন, আচরণবিধির কঠোর প্রয়োগ, স্বচ্ছ ভোটিং ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সব প্যানেলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
সবুজ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোঃ মইন উদ্দিন ট্যাক্সনিউজকে  বলেন, তারা তাদের সমর্থক ও ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং ভবিষ্যতেও বার অ্যাসোসিয়েশনের উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবেন।