অর্থ, পরিকল্পনা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, রাজস্ব আহরণ বাড়াতে সরকার আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস এই তিন খাতের জন্য পৃথক তিনটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।তিনি উল্লেখ করেন, কর ফাঁকি,
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে শুল্ক হ্রাস
বিএনপি সরকারের অধীনে প্রথম বাজেটে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
এবারের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের ওপর উৎসে কর
নতুন বাজেট প্রায় চূড়ান্ত। বিএনপি জোট সরকার বিশাল বাজেট করছে, যেখানে রাজস্ব আয়েরও বিরাট লক্ষ্যমাত্রা। তা অর্জনে এবার ভ্যাট খাতে বড় ধরনের সাহসী সংস্কার আনতে চাচ্ছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের জালের আওতায়
দেশের ব্যবসাবাণিজ্য সহজীকরণ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ভ্যাট রিটার্ন পদ্ধতিতে এক যুগান্তকারী ও বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। এত দিন ভ্যাট নিবন্ধিত ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসে নিয়ম করে যে রিটার্ন
সম্পূর্ণ অটোমেটেড পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীকে কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। এমনকি অডিটের আওতায় আসলেও প্রতিষ্ঠানটিকে নথিপত্র দাখিল করতে হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন,
বার্ষিক টার্নওভার ৩০ থেকে ৫০ লাখ টাকা হলে সে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধনের পরিবর্তে ‘তালিকাভুক্তির সদন’ নিতে হয় এবং টার্নওভারের ওপর ৪ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রদান করতে
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশাল আকারের বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের কারণে এবারের বাজেটের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে
বাংলাদেশের ভ্যাট ব্যবস্থা আবারও নীতিনির্ধারণী আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে ভ্যাট কাঠামো সরলীকরণ, ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা এবং ব্যবসাবান্ধব প্রশাসনিক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কর








