ভ্যাট ও অগ্রিম আয়করে অতি নির্ভরতা বাড়াচ্ছে মূল্যস্ফীতিমোটরসাইকেল চালকদের ওপর করারোপ উচিত নয় : ডা. শফিকুর রহমানব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খরচে বিদেশ যেতে পারবেন না কর্মকর্তারা৫,০০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যে ১ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকারএনবিআরের করজাল বিস্তারে নজর
No icon

পোশাক কারখানার লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ চায় বিজিএমইএ


বাংলাদেশে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ প্রণয়নের সময় একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কর কাঠামো তৈরির প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তব প্রয়োগে আইনটির বহু ধারা, সংজ্ঞা এবং প্রশাসনিক ব্যাখ্যা এমন এক জটিলতা তৈরি করেছে, যা ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি করেছে এবং কর ব্যবস্থাকে অনেক ক্ষেত্রেই অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সামনে মূল প্রশ্নটি হলো- আমরা কি আন্তর্জাতিক মানের একটি ভ্যাট কাঠামো তৈরি করতে পারছি, নাকি স্থানীয় বাস্তবতা সেটিকে বারবার সীমাবদ্ধ করে দিচ্ছে?
এই প্রেক্ষাপটে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ ও ভ্যাট বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ বাজেট সুপারিশসমূহ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ এই প্রস্তাবনাগুলো কেবল করহার পরিবর্তনের আলোচনা নয়; বরং ভ্যাট ব্যবস্থার মৌলিক কাঠামোগত সংস্কারের প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।