ভ্যাট ও অগ্রিম আয়করে অতি নির্ভরতা বাড়াচ্ছে মূল্যস্ফীতিমোটরসাইকেল চালকদের ওপর করারোপ উচিত নয় : ডা. শফিকুর রহমানব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খরচে বিদেশ যেতে পারবেন না কর্মকর্তারা৫,০০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যে ১ শতাংশ পর্যন্ত সম্পদ কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকারএনবিআরের করজাল বিস্তারে নজর
No icon

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল করমুক্ত থাকলেও এর বেশি ক্ষমতার বাইকের মালিকদের বছরে নির্ধারিত হারে অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিসিভেদে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর নির্ধারণের চিন্তা চলছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১১ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে শহর ও মফস্বলে ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক কাজে।ভ্রমণ গাইড

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান মনে করেন, মোটরসাইকেল এখন সড়কে স্বীকৃত ও বহুল ব্যবহৃত যানবাহন। তাই অন্যান্য ব্যক্তিগত বাহনের মতো এর ওপর কর আরোপ অস্বাভাবিক নয়।

তাঁর ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেল আয়মুখী কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে এই খাতকে করের আওতায় আনলে করজাল বিস্তৃত হবে এবং বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ কিছুটা কমতে পারে।

বর্তমানে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়করের বিধান নেই। মালিকদের শুধু নিবন্ধন ফি ও নির্ধারিত সময় পরপর রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। ৫০ থেকে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ব্যয় প্রায় ৯ হাজার ২৯১ টাকা। এরপর দুই বছর পরপর কিস্তিতে মোট ৪ হাজার ৬০০ টাকা রোড ট্যাক্স দিতে হয়। অন্যদিকে ১২৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি প্রায় ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা এবং পরবর্তী সময়ে মোট ৯ হাজার ২০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।