ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা ব্যবসা ও কোম্পানিকে ন্যূনতম টার্নওভার কর থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।একই সঙ্গে টার্নওভারভেদে স্লাবভিত্তিক করহার নির্ধারণের
জমি, ফ্ল্যাট, বাড়ি, শেয়ার কিংবা অন্য কোনো মূল্যবান সম্পদ বিক্রি করে লাভ হলে সেই লাভের ওপর আয়কর দিতে হয়। কিন্তু বাস্তবে অনেক করদাতার কাছে এখনো মূলধনি সম্পদ বিক্রয় থেকে অর্জিত আয় এবং সাধারণ আয় বা
চলছে ২০২৬-২০২৭ আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া। অনেকেই নিজে নিজে কাজটি করছেন, অনেকে আবার কাউকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু মনে রাখবেন আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আয়, সম্পত্তি, দায় কিংবা ব্যয়ের তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা বা
এখন আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় চলছে। এ বছর থেকে সারা বছরই রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে আয়করে ছাড় পাওয়া যাবে। একজন করদাতার সাত ধরনের আয় থাকতে পারে
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আপাতত না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পর্যন্ত যত টাকা (আয়কর) আদায় করেছে তা ফেরত দিতে হাইকোর্টের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে।একইসঙ্গে বেসরকারি
করের পরিমাণ দুই লাখ টাকার বেশি হলেই ই-পেমেন্ট দিতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। মঙ্গলবার দুপুরে এনবিআর কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ
আজ সোমবারই আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। এ বছর সময় আর বাড়ছে না, ৩০ নভেম্বরই শেষ দিন, সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম।তিনি বলেন, নির্ধারিত