করজাল সম্প্রসারণের পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পিএসআর দাখিল (আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র) নিশ্চিত করার ওপর অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছে।সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এ বিষয়ে একটি সভা করেছেন, যেখানে
গত সাড়ে ১৫ বছরে বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল পতিত আওয়ামী লীগ সরকার। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী
আয়কর রিটার্ন জমা মূলত দুই শ্রেণির মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক করা হযেছে। এর মধ্যে যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে, তার এর আওতায় পড়েছেন। অর্থ্যাৎ জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত তার আয়ের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের থেকে বেশি, তার
করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের উদ্দেশে ১০ লাখ করদাতা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন এবং অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দিয়েছেন ২ লাখের বেশি মানুষ।
২০২৪-২৫ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিল ও কর পরিশোধ পদ্ধতি সহজীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে করদাতাদের জন্য অনলাইন রিটার্ন বা ই-রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি উন্মুক্ত করেছে।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট ওয়েবসাইট ব্যবহার করে
অনলাইনে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিস্টেমে ১০ লাখ করদাতা নিবন্ধন নিয়েছেন। আর অনলাইনে এখন পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিয়েছেন ২ লাখ করদাতা। আজ বুধবার এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
প্রতি কর্মদিবসে গড়ে আট হাজার ই-রিটার্ন জমা পড়ছে উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেছেন, প্রথম দিকে এটা ৫০০-৬০০ ছিল, শেষের দিকে এটি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ হলেও অবাক হব
৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এ সময়ের মধ্যে কেউ রিটার্ন জমা দিতে না পারলে আয়কর আইন অনুযায়ী তাকে জরিমানা ও সুদ পরিশোধ করতে হবে।যদিও গত বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রিটার্ন দাখিলের